ঢাকা | শুক্রবার | ১৯ জুলাই ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষাক্যাম্পাসকোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কুবি শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক

কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কুবি শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক

spot_img
গত পহেলা জুলাই থেকে শুরু হওয়া সরকারি চাকরিতে কোটা পুণর্বহালের প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরিক্ষা বর্জনের ডাক দিয়েছে। এতে ১১টি বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ক্লাস পরিক্ষা বর্জন করে বলে জানা যায়।
শনিবার (৬ই জুলাই) বিভিন্ন বিভাগের ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভরা (সিআর) এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তারা আগামী রবিবার (৭ই জুলাই) থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষনা দেয়। এখন পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছে নৃবিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, বাংলা, গণিত, আইন, হিসাববিজ্ঞান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, মার্কেটিং, পদার্থ বিজ্ঞান, লোকপ্রশাসন এবং ফার্মেসী বিভাগ l
এ বিষয়ে হিসাববিজ্ঞান  বিভাগের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ হোসাইন বলেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক কোটার বিষয়ে আদালতের রায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাথে প্রহসন ছাড়া কিছু না।মেধাবী শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করে দেশে মেধা শূন্য করার চক্রান্ত চলতেছে।আমরা শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ব্যাচের সকলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্লাস -পরীক্ষা বর্জন করছি।
লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান চেতনা ছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্য ও অবিচার মেনে না নেওয়া। বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে প্রণীত স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানে আমরা তাই বৈষম্যের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান লক্ষ করি। ১৯৭২ সালের সংবিধানে ১৯, ২৮ ও ২৯ সহ অন্তত ছয়টি বিধানে বৈষম্যহীনতা প্রতিষ্ঠা করার কথা বলা আছে।
প্রশ্ন হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধারা কি ‘অনগ্রসর’ শ্রেনী?
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নকালেও মুক্তিযোদ্ধাদের অনগ্রসর হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। সংবিধানের ২৮ বা ২৯ অনুচ্ছেদ প্রণয়নের আলোচনকালে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কোটা বা বিশেষ কোন সুবিধা প্রদানের দাবী উত্থাপিত হয়নি।তাই “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন” প্লাটফর্মের আগামী কর্মসূচির সাথে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৪তম আবর্তন একাত্মতা পোষণ করেছি।
তিনি আরও বলেন,শিক্ষকরা তাদের আন্দোলন শেষ করে ক্লাসে ফিরলেও পরবর্তী কার্যদিবস থেকে  ক্লাস-পরীক্ষাসহ কোনোরকম একাডেমিক কার্যক্রমে লোকপ্রশাসনে ১৪ তম আবর্তন অংশ নিবে না।”সবরকম ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করা হলো”। যদি কোটা সংস্কার হয় তাহলেই আমরা ক্লাস, পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করব।
উল্লেখ্য ৪ঠা জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটাবিরোধী আন্দোলনে প্রায় তিন ঘণ্টা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে
spot_img

সম্পর্কিত আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ খবর